ক্বওমী মাদ্রাসা শুরু হয় (১৮৬৬) সালে ভারতের বুকে হযরত মাওলানা কাসেম নানুতুবী রহ. এর প্রতিষ্ঠিত দেওবন্দে দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, যা ছিল কওমী ধারার মূল উৎস। দেওবন্দের আদর্শকে অনুসরণ করে, বাংলাদেশে বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে তার মধ্যে মারকাযুল কোরআন আত্ তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল ও নুসাইবাতুল জান্নাত হিফজ মহিলা মাদরাসা অন্যতম।
• মারকাযুল কোরআন আত্ তাহফিজ প্রতিষ্ঠা ও মূল ভিত্তি:
• ২০২৩ সালে ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত নারায়ণগঞ্জ, রূপগঞ্জ, তারাব পৌরসভা, বরাব বাজার রোডে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা অত্র এলাকায় বেপক আলোরন সৃষ্টি করছে।
• এটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআত এবং দারুল উলুম দেওবন্দের আদর্শে প্রতিষ্ঠিত একটি শিক্ষা কেন্দ্র, যা একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
• বাংলাদেশে বিস্তার:
• আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার সুনাম এখন নারায়নগঞ্জের সিমা ছাড়িয়ে সমগ্র বাংলাদেশ আলোরন করছে, এরি ধারাবাহিকতা ধরে রাকতে আগামীতে একাধিক শাখা প্রশাখা বিস্তারের দারপ্রান্তে।
• উদ্দেশ্য:
• ক্বওমী মাদ্রাসা মূলত ইসলামি শিক্ষা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, আমরা সেটাকেই বর্তমানের আধুনিকতার সাথে এ প্রজন্মের বাচ্চাদের সাথে নিয়ে ইসলামি এবং শরিয়তের বিধান বুঝাতে এবং তার উপর আমল করার তাগিদে পরিচালনা করে যাচ্ছি।
• বর্তমান অবস্থা:
• বর্তমানে মারকাযুল কোরআন আত্ তাহফিজ ক্বওমী মাদ্রাসা বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বিদ্যমান।
• কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকীকরণে বিভিন্ন উদ্যোগও গ্রহণ করা হচ্ছে, যেমন পাঠশালা, আধুনিকিকায়ন, সফটওয়্যারের ব্যবহার।